প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও প্রকৃত ঘটনা

0
7

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে ‘ শ্রীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর হাত ঝলসে দিলেন’এমন বিভিন্ন শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছি। আমার অসংখ্য ছাত্রছাত্রী আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। সংবাদে উল্লেখিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিল্লাল হোসেন ওরফে মিলন আহমেদ আমার ভাতিজা বুলবুলের ছেলে। সব সময়ই বিল্লাল ওরফে মিলনকে আদর ¯েœহ করে থাকি। শুধু আমি নই, এলাকার প্রত্যেকেই তাকে আদর করে। সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য অসত্য তথ্য সরবরাহ করে ভিত্তিহীন সংবাদটি করানো হয়েছে। মিলনকে আমি ঝলসে দেইনি। দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। মিলন অবুঝ ও নিষ্পাপ। তার সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই।
প্রকৃত ঘটনা : সংবাদে উল্লেখিত দিন আমি গ্রামের চা স্টলে বসে কয়েকজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলাম। আমার ভাতিজা বুলবুল আহমেদের ছেলে মিলন খেলাচ্ছলে হঠাৎ করেই কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই চায়ের দোকানের জ্বলন্ত আগুনের লাকড়ি নিয়ে দোকানে বসে থাকা লোকজনের দিকে তেড়ে আসে। এ সময় আমি তার কাছ থেকে জ্বলন্ত লাকড়িটি কেড়ে নেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত লাকড়ির অগ্রভাগের আগুনের একটি ফুলকি তার ডান হাতে গিয়ে লাগে। এতে সঙ্গে সঙ্গে সামান্য একটু ফুসকা পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক মিলনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করি। পরবর্তী সময় খোঁজ খবর নেওয়া ও ওষুধ সরবরাহ করতে থাকি। মিলনের বাবা বুলবুল আমার ভাতিজা। সুখে দুখে সব সময় একই সঙ্গে আমাদের বসবাস। নিছক এ দুর্ঘটনার জন্য মিলনের পরিবার থেকে কোনো রকম অভিযোগও নেই। কিন্তু স্থানীয় তৃতীয় একটি মহল মূল ঘটনাকে আড়াল করে নানা কল্প কাহিনী বানিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য উঠেপড়ে লাগে। দীর্ঘদিন ধরে তারা আমার বিরুদ্ধে নানা রকম কুৎসা রটিয়ে আসছে। অসত্য ও ভিত্তিহীন ওই সংবাদের আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি।

প্রতিবাদকারী:
মো.মাইন উদ্দিন
প্রধান শিক্ষক
নগরহাওলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
শ্রীপুর,গাজীপুর।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here